অপরচুনিটি ম্যাপ
পাতা ১ / ৪
কোন কাজগুলো AI নিতে পারে
- বায়ারের ইমেইল আর স্যাম্পল ফলো-আপ
- প্রোডাকশন রিপোর্টের সারাংশ
- কমপ্লায়েন্স ডকুমেন্ট খুঁজে বের করা
ম্যানুফ্যাকচারিং / আরএমজি
২৬ সেপ্টেম্বর ওয়েস্টিনে দাঁড় করাবেন আপনার বিজনেসের সেকেন্ড ব্রেইনের প্রথম চালু ভার্সন — আপনার নলেজ, নিয়ম আর ডিসিশনের ধরন ধরে কাজ করা একটা সিস্টেম। রুটিন কাজ প্রি-ডিফাইনড ওয়ার্কফ্লোতে নিজে এগোয়, এক্সেপশন হলে আপনার কাছে আসে। এরপর ৩০ দিন লাইভ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্টে সেটা আপনার আসল অপারেশনে বসে।
আয়োজনে Learning Bangladesh · ১,০০,০০০+ লার্নার · ১০ মিলিয়ন+ রিচ
৩০ দিনের প্রোগ্রাম। শুরু ২৬ সেপ্টেম্বর, ওয়েস্টিনে।
৩০ দিন
পুরো জার্নি
২৬ সেপ্টেম্বর
ওয়েস্টিনে লঞ্চ
৮টি
লাইভ ইমপ্লিমেন্টেশন সেশন
২ মিনিটের কয়েকটা প্রশ্ন — টেবিল-মিক্স আর মেন্টর-প্ল্যানিংয়ের জন্য। তারপর আপনার পার্সোনালাইজড প্ল্যান, ইনভেস্টমেন্টের নাম্বার আর পেমেন্ট।
Season #1 শুরু হতে বাকি
লিড তো কম আসছে না। আসার পর কী হয়, সেটা কেউ ধরে রাখছে না।
ফরম্যাট একই, সোর্স একই, শুধু নাম্বারগুলো বদলায়।
ছুটিতে গিয়েও ফোন ধরতে হয়।
অনেস্ট উত্তরটা হলো — আপনার মাথায়। আর কোথাও না।
একদল AI নিয়ে আলোচনা করে। ওয়েবিনার দেখে, টুল ট্রায়াল করে, টিমকে বলে — একটু ঘেঁটে দেখো।
আরেকদল চুপচাপ একটা করে কাজ সিস্টেমের হাতে তুলে দিচ্ছে। কোয়োটেশন, ফলো-আপ, রিপোর্ট, কাস্টমারের প্রথম উত্তর।
প্রথম দলের কাছে ব্যাপারটা এখনো আলোচনার বিষয়। দ্বিতীয় দলের কাছে এটা এখন খরচের লাইন-আইটেম, যেটা কমছে।
দুই দলের ব্যবধান রোজ একটু করে বাড়ে। টের পাওয়া যায় অনেক পরে — যখন কোনো একটা টেন্ডারে দাম মেলে না, বা কোনো একটা ক্লায়েন্ট বলে, ওরা তো একই দিনে প্রপোজাল দিয়ে দিয়েছে।
ভয় দেখানোর কিছু নেই। কিন্তু ডিসিশনটা পিছিয়ে দেওয়ারও কিছু নেই।
গত কয়েক বছরে AI নিয়ে অনেক ট্রেইনিং করিয়েছি। কর্পোরেট, ব্যাংক, এনজিও, ম্যানুফ্যাকচারিং। একটা জিনিস প্রায় প্রতিবার হয়েছে — সেশন শেষে সবাই খুশি হয়ে বের হন, নোটবুক ভরা থাকে, ফিডব্যাক ফর্মে নম্বর ভালো আসে। তারপর দুই সপ্তাহ পরে খোঁজ নিলে দেখা যায়, কারও কিছু চালু হয়নি।
কারণটা আমার কাছে এখন পরিষ্কার। শেখানো হয় টুল, বসানো হয় না সিস্টেম। আর মালিক নিজে হাত না লাগালে সেটা কখনো বসেও না। ম্যানেজারকে পাঠিয়ে দিলে ম্যানেজার শিখে ফেরেন, কিন্তু কোন কাজটা ছেড়ে দেওয়া যাবে সেই ডিসিশনটা তো তাঁর না।
তাই এই দিনটা আলাদা করে বানিয়েছি। ওইদিন আপনি দর্শক নন। নিজের ল্যাপটপ নিয়ে বসবেন, নিজের ডেটা দিয়ে, নিজের সমস্যাটার সিস্টেম বানাবেন। আমরা পাশে থেকে দেখাব, আটকে গেলে হাত ধরব। প্রতি ১০ জনে একজন ট্রেইনড মেন্টর টেবিলেই থাকবেন।
আর সবকিছু একসঙ্গে বসে যায় না, সেটিও জানি। তাই ওয়েস্টিনের পরে ৩০ দিন ধরে ৮টি লাইভ সেশন রাখা আছে। যা আটকাবে, কলেই ঠিক হবে।
দিন ০১ · ২৬ সেপ্টেম্বর · ওয়েস্টিন ঢাকা
সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা। ৪টি মূল লাইভ সেশন আর একটা ক্লোজিং সেগমেন্ট। নিজের ল্যাপটপে, নিজের ডেটা দিয়ে। রাতে সিস্টেমটা চালু অবস্থায় নিয়ে ফিরবেন।
লঞ্চ ইনটেনসিভসপ্তাহ ০১ – ০৪ · লাইভ
ডেমো অ্যাকাউন্টে নয়। নিজের ব্যবসায় ইমপ্লিমেন্ট করবেন, ওয়ার্কফ্লো সাজাবেন, আর সেটিকে অভ্যাসে পরিণত করবেন। যা আটকাবে, লাইভ সেশনে স্ক্রিন শেয়ার করে সেখানেই সমাধান।
৮টি লাইভ ইমপ্লিমেন্টেশন সেশনদিন ৩০ · সশরীরে · ভেন্যু পরে জানানো হবে
৩০ দিন পর কোহর্ট আবার এক জায়গায় বসে। নিজের সিস্টেমটি চলছে — এটি দেখাতে পারলে সার্টিফিকেশন। সঙ্গে শুধু এই কোহর্টের জন্য একটি বিশেষ ক্লাস এবং নেটওয়ার্কিং ডিনার।
সশরীরেসেমিনারে শেখা জিনিস নোটেই থেকে যায়। এই প্রোগ্রামের কাজ সেটিকে ৩০ দিন ধরে আপনার কোম্পানিতে বসিয়ে দেওয়া।
আপনার বিজনেস কীভাবে চলে, তার সবচেয়ে দামি নলেজের অনেকটাই এখন আপনার মাথায়। কোন ক্লায়েন্টকে কী বলতে হয়, দামে কোথায় ছাড় চলে, কোন রিপোর্ট আসলে কীভাবে বানাতে হয়।
সেকেন্ড ব্রেইন সেই নলেজ, নিয়ম, প্রেফারেন্স আর ডিসিশনের ধরনটা একটা সিস্টেমে নামায় — তারপর AI সেই সিস্টেম ধরে বাছাই করা কাজগুলো এগিয়ে নেয়। রুটিন কাজ প্রি-ডিফাইনড নিয়মে চলে, এক্সেপশন হলে আপনার কাছে আসে।
সহজ করে বললে, এটাকে আপনার বিজনেসের AI COO ভাবতে পারেন। পার্থক্য একটাই: এই COO ঘুমায় না, ছুটিতে যায় না, আর একসাথে দশটা কাজ ধরতে পারে।
একজন কনসালট্যান্টের কথা ধরুন। রাতে তিনি ঘুমাচ্ছেন, কিন্তু তাঁর সেকেন্ড ব্রেইন আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া সার্ভিস-ফ্লোটা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্লায়েন্ট সার্ভিস নিলেন, পেমেন্টও করলেন। সকালে উঠে তিনি রিপোর্টে দেখলেন কী হয়েছে — আর যেখানে তাঁর মতামত দরকার, সেগুলো এপ্রুভালের অপেক্ষায়।
ক্লোন-মার্কা বড় কথা নয় — আপনার মাথার নলেজটা প্রথমবার সিস্টেমে নামানো। কনসালটেন্সি, সার্ভিস, ট্রেডিং, ম্যানুফ্যাকচারিং, সবখানেই।
আপনার সেকেন্ড ব্রেইন
অনলাইন
এখন হচ্ছে
আপনি WhatsApp-এ লিখলেন বা ভয়েস দিলেন: "মায়েদের জন্য নতুন কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করা যায়?"
আপনার টিমের সাথে যেভাবে WhatsApp-এ কথা বলেন, ঠিক সেভাবেই। আর পরিষ্কার করে বলা দরকার: সব ওয়ার্কফ্লো ফুল অটোমেশন হবে না, হওয়া উচিতও না। কোনটা নিজে চলবে আর কোনটা আপনার এপ্রুভালে থামবে — গার্ডরেলটা আপনিই ঠিক করবেন, ডিজাইনটাই এমন।
টুলে ট্যাপ করলে কাজটা দেখবেন
আপনি এখান থেকেই পুরো সিস্টেমটা চালাবেন
রিসার্চ, ডিসিশন, আপনার ভয়েসে লেখা
কাজগুলো নিজে নিজে চালায়
সাইট, ডেটাবেস, ভিডিও, অ্যাভাটার
যেখানে আসল কাজটা হয়
ওয়েস্টিনে এই পুরো জিনিসটা জোড়া লাগানো হবে, আর পরের ৩০ দিনে সেটা আপনার হ্যাবিটে পরিণত হবে।
Ishtiak Ahammed
আমার ব্যবসার কোথায় AI আসল লাভ দেবে?
আপনার নিজের অপরচুনিটি ম্যাপ ও ওয়ার্কফ্লো অ্যানালাইসিস — আপনার নিজের ডিপার্টমেন্ট ধরে আঁকা।
Sabbir Ahmed
রোজকার কাজে AI কীভাবে কাজে লাগাব?
নিজের হাতে বানানো ল্যান্ডিং পেজ, ডকুমেন্ট আর ডেটা সেটআপ — নিজের অ্যাকাউন্টে চালু অবস্থায়।
Sabbir Ahmed
AI কীভাবে কাজটা নিজেই করে ফেলবে?
চালু একটা এজেন্টিক সিস্টেম, আপনার নিজের ডেটা দিয়ে — বাড়ি ফেরার সময় এটাই সাথে যায়।
Ishtiak Ahammed
AI দিয়ে ব্যবসা কীভাবে স্কেল করব?
আপনার AI ব্লুপ্রিন্ট + ৩০/৬০/৯০ রোডম্যাপ — লেখা অবস্থায়, প্রিন্টেড প্লেবুকের ভেতরে।
Bappi Mahmud
এটা কীভাবে রোজকার হ্যাবিটে দাঁড়াবে?
একজন লিডারের রোজকার অপারেটিং রিদম — সিস্টেমটা অফিসের বাইরেও চলে।
সারাদিন আপনি নিজের ব্যবসা নিয়ে কাজ করবেন, স্যাম্পল নিয়ে নয়। সবচেয়ে লম্বা ব্লকটা সাড়ে তিন ঘণ্টার বিল্ড ল্যাব — ওখানেই সিস্টেমটা আসলে দাঁড়ায়। প্রতি ১০ জনে একজন ট্রেইনড মেন্টর টেবিলেই থাকবেন।
আপনার প্লেবুক
ফর্মে যা লিখবেন আর ওয়েস্টিনে যা বানাবেন — দুটো মিলিয়ে আপনার প্লেবুক ছাপা হয়। নিচে নিজের ইন্ডাস্ট্রিটা বেছে দেখুন, নমুনা পাতাগুলো কেমন দাঁড়ায়।
আপনার ইন্ডাস্ট্রি বেছে নিন
এগুলো নমুনা। আপনার বইয়ের পাতাগুলো আসবে আপনার নিজের অ্যাপ্লিকেশন, আপনার ডিপার্টমেন্ট আর ওয়েস্টিনে আপনার করা কাজ থেকে — সেদিনই হাতে, প্রিন্ট করা অবস্থায়।
যা নিয়ে বাড়ি ফিরবেন
৩০ দিনের জার্নি
৮টি লাইভ ইমপ্লিমেন্টেশন সেশন
৩টি ধাপ — লঞ্চ, ইমপ্লিমেন্টেশন, সার্টিফিকেশন
আপনার প্রথম চালু সেকেন্ড ব্রেইন ওয়ার্কফ্লো — লিড আসে → AI যাচাই করে → CRM-এ ওঠে → আপনার এপ্রুভালে অ্যাকশন। বাড়ি ফেরার সময় চালু অবস্থায়।
কোন কাজগুলো AI নিতে পারে, কোন ডিসিশনে মানুষের হাত থাকতেই হবে, আর কোথায় সবচেয়ে দ্রুত ফেরত আসে। আপনার নিজের ডিপার্টমেন্ট ধরে।
কে কী করার পারমিশন পাবে, কোথায় গার্ডরেল থাকবে, কোন কাজ কখনোই অটোমেশনে যাবে না — লেখা নিয়মে।
টেমপ্লেট আর প্রম্পট, যেগুলো দিয়ে বাড়ি ফিরেই পরের ওয়ার্কফ্লোগুলো ধরতে পারবেন।
ChatGPT Plus + Claude Pro + Gemini (Google AI Pro), সম্পূর্ণ ফ্রি। শুধু নামের লিস্ট না — অ্যাকাউন্ট তিনটা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হবে।
সাথে ৩০/৬০/৯০ রোডম্যাপ, প্লেবুকের ভেতরে — যাতে ৩০ দিন শেষেও জানা থাকে পরের ধাপটা কী।
পোশাক ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ওনার আর IT সলিউশন প্রোভাইডার এক টেবিলে বসলে যেটা হয়, সেটা দুই পক্ষেরই লাভ। এমন কোলাবোরেশন এই ঘরেই তৈরি হয়।
ইন্সট্রাক্টররা গ্রুপেই থাকেন। প্রশ্নটা ৩০ দিন ঝুলে থাকে না, সেদিনই উত্তর আসে।
যে ঘরের সবাই বানাচ্ছে, সেই ঘরে বসে হাত গুটিয়ে থাকা কঠিন। এই প্রেসারটাই আসল কাজ করায়।
কোলাবোরেশন কেউ প্রমিস করতে পারে না, আমরাও করব না। কিন্তু ১২০ জন ডিসিশন মেকার এক ঘরে একসাথে বানালে যে ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি আলাপগুলো শুরু হয়, সেটাই অনেকের কাছে টিকিটের হিসাব বদলে দেয়।
৫০+
সিট অলরেডি বুকড। বাকি সিটগুলোও শেষ হয়ে গেলে রেজিস্ট্রেশন প্রসেস ক্লোজড হয়ে যাবে।
১০ইন্ডাস্ট্রির ফাউন্ডার, একই ঘরে
রিটেইল থেকে ম্যানুফ্যাকচারিং, এজেন্সি থেকে হেলথকেয়ার — নানা ইন্ডাস্ট্রির ওনাররা অলরেডি সিট নিয়ে ফেলেছেন। আপনার টেবিলে বসবেন এমন মানুষ, যাঁদের সমস্যা আপনার মতোই, কিন্তু সমাধানটা দেখেছেন অন্য অ্যাঙ্গেল থেকে।
১২টা টেবিল, ইন্ডাস্ট্রি মিলিয়ে সাজানো — ওনার আর ডিসিশন-মেকাররা পাশাপাশি, প্রতি ১০ জনে একজন মেন্টর। লাঞ্চ-ডিনারের বুফে আর সারাদিনের চা-কফির আড্ডাতেই হয়তো মিলে যাবে আপনার পরের ক্লায়েন্ট, পার্টনার বা সাপ্লায়ার।
ওয়েস্টিনের পর ৩০ দিন একই কোহর্টের সাথে ইমপ্লিমেন্টেশন জার্নি, পাশে ইন্সট্রাক্টররা। জার্নি শেষ হলেও ঘরটা ভাঙে না — আজীবন এলিট ফাউন্ডার কমিউনিটি, যেখানে কে কী বানাল, কোথায় আটকাল, কী কাজ করল, সব খোলাখুলি।
ভর্তি অ্যাপ্লিকেশনে — ৩ মিনিট, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এপ্রুভাল।
মূল ৪টি ক্লাস ফাইনাল হয় ইভেন্টের দিন — আপনারা কোথায় আটকাচ্ছেন সেটা দেখে ক্লাসগুলো আবার ডিজাইন করা হয়।
ওয়েস্টিনে বানানো জিনিসটা আপনার আসল ব্যবসায় চলবে — ডেমো অ্যাকাউন্টে নয়।
স্ক্রিন-শেয়ার ওয়ার্কিং সেশন — লাইভে, আপনার স্ক্রিনে ঠিক হবে। বাকিরাও দেখে শিখবেন।
CRM, WhatsApp, শিট, এপ্রুভাল — পাঁচটা টুল নয়, একটা চেইন।
যেগুলো কেউ ডেমোতে দেখায় না: গোলমেলে ইনপুট, বাংলা লেখা, আর যে কাস্টমার সব ভুল করেন।
অথচ কন্ট্রোল আপনার কাছেই — এপ্রুভাল যেখানে থাকার কথা, সেখানেই।
গত সপ্তাহে সিস্টেম আসলে কত ঘণ্টা আর কত টাকা বাঁচাল — স্ক্রিন শেয়ার করে, আসল নাম্বারে।
আপনি ছুটিতে গেলেও যেন টিকে থাকে — টিমের হাতে তুলে দেওয়ার সপ্তাহ।
শেষ দিনেও যেটা আটকে আছে, নিয়ে আসুন।
৩০ দিন শেষে সিস্টেমটা চলতে দেখাতে পারলে সার্টিফিকেশন। সার্টিফিকেটটা হাজিরার না, চালু সিস্টেমের।
৪টি ট্রেইনিং সেশন (২ ঘণ্টা করে) আর ৪টি সাপোর্ট সেশন (১ ঘণ্টা করে) — চার সপ্তাহ ধরে, প্রতি সপ্তাহে দুটি। সাপোর্ট সেশন মানে প্রশ্নোত্তর নয়, স্ক্রিন-শেয়ার ওয়ার্কিং সেশন: যেটা ভেঙেছে সেটি নিয়ে আসবেন, কলেই ঠিক হবে।
ঘণ্টা ৳৫০০ ধরলে, টিম মিলিয়ে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা রিপিটেটিভ কাজ মানে বছরে ৳৫.২ লাখ। ৬ মাস দেরি মানে ৳২.৬ লাখ, যেটা কোনোভাবেই আর ফিরে পাবেন না। (উদাহরণের হিসাব — নিজের নাম্বার বসালে অঙ্কটা বদলাবে, দিকটা না।)
আপনার ইন্ডাস্ট্রিতে যারা এখন শুরু করছে, ৬ মাস পরে তাদের সিস্টেম চলছে আর ডেটা জমছে। আপনি তখন যেখান থেকে শুরু করবেন, তারা সেখান থেকে ছয় মাস এগিয়ে।
টুল সঙ্গে সঙ্গে হাতে আসে, অভ্যাস আসে না। যত দেরিতে শুরু করবেন, টিম তত দেরিতে তৈরি হবে।
Season #1 এবারই প্রথম, সিট ১২০টা। পরের সিজন কবে, সেটা এখনো ঠিক হয়নি।
একদম ঠিক কথা। চাইলে সব বন্ধ করে টানা কয়েক দিন সময় দিয়ে নিজেই দাঁড় করাতে পারেন। অসম্ভব কিছু নয়। YouTube-এ n8n থেকে এজেন্টিক ওয়ার্কফ্লো, সবই আছে।
যেটা নেই সেটা হলো, ওই জিনিসটা ঠিক আপনার বিজনেসে কীভাবে বসবে। আর AI নিজে থেকে যা দেয়, তার বেশিরভাগই জেনেরিক, আপনার কাজে লাগে না।
AI দিয়ে কিছু একটা বানানো এখন সহজ। নিজের ব্যবসার নিয়ম আর প্রসেস ধরে বারবার চলে — এমন সিস্টেম বানানোই কঠিন।
একটি ল্যান্ডিং পেজ বা একটি অটোমেশন AI দিয়ে বানিয়ে ফেলা যায় — সেটি কেউ অস্বীকার করছে না। কিন্তু বানানোর পর দেখবেন, বাকি হাজার জনের সঙ্গে সেটির কোনো পার্থক্য নেই। প্রশ্নটি 'পারলেন কি না' নয়। প্রশ্নটি হলো, সেটি আপনার ব্যবসার নিজস্ব নিয়ম, ডেটা আর মানদণ্ড ধরে চলে কি না।
একজন ডিসিশন মেকারের সবচেয়ে দামি জিনিসটা টাকা না, সময়। দুই ঘণ্টার প্রসেসটা ১৫ মিনিটে শিখে ফেলাই আসল লাভ।
এখানে যা যা দেখানো হবে, তা আলাদা করে শিখতে গেলে অন্তত ১০টা ভিন্ন ভিন্ন কোর্স লাগবে। আর ওসব কোর্স মূলত “টুল” ফোকাসড, আপনার বিজনেসের জন্য কাস্টমাইজড না। প্রি-রেকর্ডেড কোর্স দেখে, শুনে, বুঝে শেষ করাটাও বেশ চ্যালেঞ্জিং — আপনার নিজের কেনা এমন কোর্সও হয়তো কয়েকটা পড়ে আছে। সব মিলিয়ে ৫০ হাজারের নিচে থাকবে না, আর নিজের সেকেন্ড ব্রেইন বানিয়ে ফুল-ফ্লেজ অটোমেশন তো অনেক দূরের কথা।
একই অটোমেশন কোনো এজেন্সিকে দিয়ে করালে বিল ৫০ হাজার থেকে শুরু, বড় সেটআপে ৫ থেকে ১০ লাখ। আর সিস্টেমটা থাকবে ওদের হাতে — প্রতিবার বদলাতে গেলে আবার বিল।
নিজে বানাবেন, তাই ওনারশিপও আপনার। বদলাতে চাইলে কাউকে বিল দিতে হবে না। আর ৩০ দিনের লাইভ ইমপ্লিমেন্টেশন সাপোর্ট, যতক্ষণ না সিস্টেমটা আপনার আসল বিজনেসে দাঁড়িয়ে যায়।
এক মাসের প্রোগ্রামে সব মিলিয়ে
| দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় পুরো দিনের আয়োজন — সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা | ৳৫০,০০০ |
| বিজনেস ওয়ার্কফ্লো অডিট — কোথায় সময় আর টাকা লিক হচ্ছে | ৳৫০,০০০ |
| আপনার ব্যবসার পার্সোনালাইজড প্লেবুক, সাথে ৩০ দিনের রোডম্যাপ | ৳১,০০,০০০ |
| ৪টি মূল ট্রেইনিং আর ৪টি সাপোর্ট লাইভ সেশন | ৳৮০,০০০ |
| এক মাস টিম সাপোর্ট আর ইন্সট্রাক্টর ডিরেকশন | ৳১,০০,০০০ |
| আজীবন এলিট ফাউন্ডার কমিউনিটি অ্যাক্সেস | ৳১,০০,০০০ |
| টেমপ্লেট, ওয়ার্কফ্লো আর গভর্ন্যান্স রিসোর্স | ৳১০,০০০ |
| এক মাসের AI টুলস আর VPS | ৳১০,০০০ |
| মোট ভ্যালু | ৳৫,০০,০০০ |
মূল্যগুলো আমাদের নির্ধারিত — এগুলো আলাদা বিক্রয়মূল্য বা নিশ্চিত সাশ্রয়ের হিসাব নয়। আপনার আসল হিসাবটা কিন্তু অন্য: সিস্টেমগুলো চালু থাকলে বছরে কত ঘণ্টা আর কত টাকা ফেরত আসে। ওই অঙ্কটা কষা হবে আপনার প্ল্যানে, আপনার নিজের নাম্বার দিয়ে।
ফাউন্ডিং দাম · প্রথম ৫০ সিট — অলরেডি বুকড
নাম্বারটা প্ল্যানের সাথে
২ মিনিটের ফর্মটি শেষ করলেই আপনার পার্সোনালাইজড প্ল্যান খুলে যাবে — আর ইনভেস্টমেন্টের পুরো হিসাব সেখানেই: ৳৫ লাখের ভ্যালু-টেবিল, নিয়মিত ফি আর টোকেন, তিনটিই এক জায়গায়।
১২০ সিটের প্রথম ৫০টা ছিল ফাউন্ডিং দামে — সেগুলো অলরেডি বুকড। বাকি সিট নিয়মিত ফি-তে, আর সেগুলোও শেষ হয়ে গেলে রেজিস্ট্রেশন প্রসেস ক্লোজড হয়ে যাবে।
ওয়েস্টিনে সশরীরে আসতে পারছেন না? দেশের বাইরে বা ঢাকার বাইরে থেকেও একই প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে — লাইভ অ্যাক্সেস থেকে সম্পূর্ণ এক মাসের জার্নি পর্যন্ত।
এজেন্সিকে দিয়ে বানালে সিস্টেম থাকে ওদের হাতে, আর প্রতিটা বদলে নতুন বিল। এখানে সিস্টেম আর স্কিল — দুইটাই আপনার হাতে থাকে, আর সাথে থেকে যায় আজীবনের একটা ফাউন্ডার কমিউনিটি।
এই ইনভেস্টমেন্টে যা যা আছে
লঞ্চ দিনটি ঝুঁকিমুক্ত: ওয়েস্টিনের সেশন শেষ পর্যন্ত থাকুন। মনে হলে “হলো না”, রাত ১২টার আগে জানান — ৩ দিনের মধ্যে পুরো টাকা ফেরত।
এক কোম্পানি থেকে ৩+ সিট: এক ইনভয়েস, সাথে ৩০ দিনের মধ্যে আপনার টিমের জন্য প্রাইভেট ৬০-মিনিটের ইমপ্লিমেন্টেশন সেশন। ৫+ সিট হলে আপনাদের ইন্টারনাল ডিব্রিফে আমাদের একজন ফ্যাসিলিটেটর যুক্ত হবেন।
Learning Bangladesh-এর প্রতিটা কোর্স, ইবুক আর ওয়ার্কশপে এই একই গ্যারান্টি।
রিস্কটা আমাদের, আপনার না।
সারাদিন থেকে শেষে মনে হলে হলো না — ইভেন্টের রাত ১২টার আগে জানিয়ে দিন। ৩ দিনের মধ্যে ১০০% ফেরত, কোনো প্রশ্ন ছাড়াই।
২ মিনিটের কয়েকটা প্রশ্ন, তারপর আপনার পার্সোনালাইজড প্ল্যান আর ইনভেস্টমেন্টের নাম্বার। তারপর bKash বা কার্ডে সিটটা রিজার্ভ করে ফেলুন।